Category Archives: কুরআনের শিক্ষা

ছবি

দেয়ালচিত্র ২৩

????????????t

Advertisements

কুরআন থেকে নেয়া কিছু সুন্দর দুআ [১]

dua1

কুরআনুল কারীম থেকে নেয়া কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ দু’আ :

১) رَ‌بَّنَا اغْفِرْ‌ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ آمَنُوا رَ‌بَّنَا إِنَّكَ رَ‌ءُوفٌ رَّ‌حِيمٌ

— উচ্চারণ : রব্বানাগফিরলানা ওয়ালি ইখওয়ানিনাল্লাযিনা সাবাকুনা বিল ইমানি ওয়ালা তাজ’আল ফি কুলুবিনা গিল্লাললিল্লাযিনা আমানু রব্বানা ইন্নাকা রউফুর রহিম।

— অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে এবং ঈমানে আগ্রহী আমাদের ভাইদেরকে ক্ষমা কর এবং ঈমানদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রেখো না। হে আমাদের পালনকর্তা, তুমি দয়ালু, পরম করুণাময়।” –-[সূরা হাশরঃ ১০] বিস্তারিত পড়ুন

কুরআন কুইজ – ১

১) “হে নূহ! সে তোমার পরিবারভুক্ত নয়। সে তো অসৎ কর্মপরায়ণ” — কার ব্যাপারে বলা হয়েছে? [সূত্র : সূরা হুদ ৪৬]

২) হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম স্বপ্নে কয়টি তারকার সাথে সূর্য এবং চাঁদকে সিজদা করতে দেখেছিলেন যা তিনি তার পিতা ইয়াকুব আলাইহিস সালামকে বলেছিলেন? [সূত্র -সূরা ইউসুফ ৪]

৩) “তারপর আমি তাকে ইসহাকের এবং ইসহাকের পরে ইয়াকুবের সুখবর দিলাম” — এখানে কাকে এই খবর দেয়া হচ্ছে? এই খবরটি শুনে কে হেসে ফেলেছিলেন? [সূত্র : সূরা হুদ ৭১]

৪) ক্রমাগত নাফরমানির কারণে কোন জাতিকে একটি বিকট আওয়াজ আঘাত করেছিলো এবং তারা নিজেদের বাড়িঘরে এমন অসাড় ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে রইলো যেন সেখানে তারা কখনো বসবাসই করেনি? [সূত্র : সূরা হুদ ৬৬]

৫) কোন কওমের ফায়সালার সময় এসে যাওয়ার পরে তাদের গোটা জনপদটি উলটে দেয়া হয়েছিলো এবং তার ওপর পাকা মাটির পাথর অবিরামভাবে বর্ষণ হয়েছিলো? [সূত্র : সূরা হুদ ৮২]

৬) কোন নবী দু’আ করেছিলেন, “হে আমার রব! যে জিনিসের ব্যাপারে আমার জ্ঞান নেই তা তোমার কাছে চাইবো — এ থেকে আমি তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। যদি তুমি আমাকে মাফ না করো এবং আমার প্রতি রহম না করো তাহলে আমি ধ্বংস হয়ে যাবো।” [সূত্র : সূরা হুদ ৪৭]

বিস্তারিত পড়ুন

দ্যূতিময় কুরআনঃ সূরা ফালাক [১]

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

পবিত্র কুরআনুল কারীমের ১১৩ নম্বর সূরা হচ্ছে সূরা ফালাক্ক। সর্বশেষ তথা ১১৪ নাম্বার সূরার নাম সূরা নাস। সূরা ফালাক এবং সূরা নাসকে একত্রে মুআওবিদাতাইন’ (যার অর্থ, আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা) বলা হয়ে থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই নামকরণ করেছিলেন।

পূর্ববর্তী সূরা ইখলাসের সাথে এই সূরার সম্পর্ক রয়েছে, পরবর্তী সূরা নাসের সাথেও সম্পর্ক রয়েছে। সূরা ফালাক এবং সূরা ইখলাস এর শুরু হয়েছে “ক্কুল” (বলো) শব্দটি দিয়ে; তারপর রাব্বুল ফালাক্ক (আল্লাহ) এর কথা বলা হয়েছে। আবার, সূরা ফালাক আর সূরা নাস — এই সূরা দু’টিকে নবীকরীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক সময় পরপর দু’রাকাতে পড়েছেন। আরবি না জেনে যারা সূরা ফালাক্ক আর সূরা নাস পড়েন, তারাও বুঝতে পারবেন “ক্কুল আউযু বি রাব্বিল ফালাক্ক” এবং “ক্কুল আউযু বি রাব্বিন নাস” — সূরা দু’টির মাঝে মিল রয়েছে। ক্লাসিকাল তাফসীরগ্রন্থসমূহে এই সূরা দু’টির তাফসীরকে একত্রে বর্ণনা করা হয়েছে।

সূরা ফালাক্ক এবং সূরা নাস — উভয় সূরা দু’টিতেই আল মুসতাআদ মিনহু [যার কাছ থেকে সাহায্য চাওয়া হচ্ছে] এবং আল মুসতাআদ বিহি [যার কাছে সাহায্য চাওয়া হচ্ছে] এর উল্লেখ আছে। এই দু’টি সূরাতেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার সৃষ্টিসমূহের কাছ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে, সাহায্য চাওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন

আত্মবিস্মৃত কারা?

forget

“তোমরা তাদের মত হয়ো না যারা আল্লাহকে ভুলে যাওয়ার কারণে আল্লাহ তাদের নিজেদেরকেই ভুলিয়ে দিয়েছেন তারাই ফাসেক ” — [সূরা আল হাশর – ১৯]

 

☻ আয়াতটির ব্যাখা  ☻

অর্থাৎ আল্লাহকে ভুলে যাওয়ার অনিবার্য ফল হলো নিজেকে ভুলে যাওয়া, সে কার বান্দা সে কথা যখন কেউ ভুলে যায়, তখন অনিবার্যরূপে সে দুনিয়ায় তার একটা ভুল অবস্থান ঠিক করে নেয়। এই মৌলিক ভ্রান্তির কারণে তার গোটা জীবনই ভ্রান্তিতে পর্যবসতি হয়। অনুরূপভাবে সে যখন একথা ভুলে যায় যে সে এক আল্লাহ‌ ছাড়া আর কারো বান্দা নয় তখন আর সে শুধু সেই এদের বন্দেগী করে না।

এমতাবস্থায় সে প্রকৃতই যার বান্দা তাকে বাদ দিয়ে যাদের সে বান্দা নয় এমন অনেকের বন্দেগী করতে থাকে। এটা আর একটি মারাত্মক ও সর্বাত্মক ভুল যা তার গোটা জীবনকেই ভুলে পরিণত করে। পৃথিবীতে মানুষের প্রকৃত মর্যাদা ও অবস্থান হলো সে বান্দা বা দাস, স্বাধীন বা মুক্ত নয়। সে কেবল এক আল্লাহর বান্দা, তার ছাড়া আর কারো বান্দা সে নয়। একথাটি যে ব্যক্তি জানে না প্রকৃতপক্ষে সে নিজেই নিজেকে জানে না। আর যে ব্যক্তি একথাটি জেনেও এক মুহূর্তের জন্যও তা ভুলে যায় সেই মুহূর্তে সে এমন কোন কাজ করে বসতে পারে যা কোন আল্লাহদ্রোহী বা মুশরিক অর্থাৎ আত্মবিস্মৃত মানুষই করতে পারে।

 

সঠিক পথের ওপর মানুষের টিকে থাকা পুরোপুরি নির্ভর করে আল্লাহকে স্মরণ করার ওপর। আল্লাহ‌ তা’আলা সম্পর্কে গাফেল হওয়া মাত্রই সে নিজের সম্পর্কেও গাফেল হয়ে যায় আর এই গাফলতিই তাকে ফাসেক বানিয়ে দেয়।

[তাফহীম]

মানুষের নফসের রূপ

কুরআনুল কারীমে মানুষের নফসের তিনটি রূপ উল্লেখ করা হয়েছে–

১) একটি ‘নফস’ মানুষকে মন্দ কাজে প্ররোচিত করে। এটির নাম ‘নফসে আম্মারা’ ।

২) একটি ‘নফস’ ভুল বা অন্যায় কাজ করলে অথবা ভুল বা অন্যায় বিষয়ে চিন্তা করলে কিংবা খারাপ নিয়ত রাখলে লজ্জিত হয় এবং সেজন্য মানুষকে তিরস্কার ও ভৎর্সনা করে। এটির নাম নফসে ‘লাউয়ামাহ’। আধুনিক পরিভাষায় একেই আমরা বিবেক বলে থাকি। [সূরা কিয়ামাহ, আয়াত ২]

৩) যে নফসটি সঠিক পথে চললে এবং ভুল ও অন্যায়ের পথ পরিত্যাগ করলে তৃপ্তি ও প্রশান্তি অনুভব করে তাকে বলে ‘নফসে মুতমাইন্নাহ’। [সূরা আল ফাজর, আয়াত ২৭]

বিস্তারিত পড়ুন

প্রশান্ত আত্মা বা নফসে মুতমাইন্নাহ কী

প্রশান্ত আত্মা ধারণকারী জান্নাতিদের প্রতি আখিরাতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আখিরাতে কিছু কথা বলবেন যা সূরা আল-ফাজরে এসেছে। তিনি বলবেনঃ

“হে প্রশান্ত আত্মা! চলো তোমার রবের দিকে,এমন অবস্থায় যে তুমি (নিজের শুভ পরিণতিতে) সন্তুষ্ট (এবং তোমরা রবের) প্রিয়পাত্র। শামিল হয়ে যাও আমার (নেক) বান্দাদের মধ্যে এবং প্রবেশ করো আমার জান্নাতে।”

— [সূরা আল ফাজর : ২৭-৩০]

তাফসীরে প্রশান্ত আত্মার বর্ণনাঃ

‘প্রশান্ত আত্মা’ বলে এমন মানুষকে বুঝানো হয়েছে যে, কোন প্রকার সন্দেহ সংশয় ছাড়াই পূর্ণ নিশ্চিন্ততা সহকারে ঠাণ্ডা মাথায় এক ও লা-শরীক আল্লাহকে নিজের রব এবং নবীগণ যে সত্য দ্বীন এনেছিলেন তাকে নিজের দ্বীন ও জীবন বিধান হিসেবে গণ্য করেছে। বিস্তারিত পড়ুন