Category Archives: ইসলামিক স্কলারদের আলোচনা

বিশ্বনন্দিত স্কলারদের ভিডিও লেকচারসমূহ

মুসলমানদের তো সবখানে সকল ভালো কাজের উৎস হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা

​”আমি মুসলিম তরুণদেরকে দিবাস্বপ্ন ও অবাস্তব ভাববাদিতা পরিহার করার উপদেশ দিচ্ছি। তাদেরকে ধূলোর ধরণীতে নেমে বড় বড় শহরের বস্তি ও গ্রামের নিপীড়িত মানুষের সাথে মিশতে হবে। এখানেই নির্ভেজাল পুণ্য, সরলতা ও পবিত্রতার উৎস নিহিত আছে। এসব মানুষ অভাবের তীক্ষ্ণ খোঁচায় দিশেহারা হয় না। এখানে সমাজ পরিবর্তন, পুনর্গঠন ও আন্দোলনের বিপুল উপাদান ছড়িয়ে আছে। এদের সাথে মেলামেশা করে তাদের অশিক্ষা-কুশিক্ষা দূর করে এবং তাদের খারাপ দিকগুলো বর্জন ও সুকৃতির বিকাশে উদ্যেগী হতে হবে। এজন্যে সংঘবদ্ধ ও সম্মিলিত প্রয়াস চাই। নিপীড়িতদের দুঃখ-কষ্ট লাঘব করা এবং তাদেরকে সঠিক পথে এনে জিহাদের কাতারে শামিল করার প্রচেষ্টাও ইবাদাহর মধ্যে গন্য। ইসলামে দাতব্য কাজে উৎসাহ দেয়া হয়, এটি ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

আবু হুরায়রাহ (রা) একটি হাদীসে বলেন: “মানুষের প্রতিটি সন্ধির জন্যে সাদাকাহ তার কাছ থেকে প্রাপ্য, প্রতিদিন যখন সূর্য ওঠে। দুই ব্যক্তির মধ্যে মীমাংসা করে দেয়াও সাদাকাহ, পশুর পিঠে চড়তে কাউকে সাহায্য করা অথবা মাল তুলে দেয়াও সাদাকাহর অন্তর্ভুক্ত এবং একটি মধুর বচনও সাদাকাহ এবং কল্যণের দিকে প্রতিটি পদক্ষেপ একটি সাদাকাহ, পথ থেকে ক্ষতিকর জিনিস সরানোও সাদাকাহ।” (সকল প্রামান্য সূত্রে সমর্থিত)

ইবনে আব্বাস (রা) আরেকটি হাদীসে বলেন, “প্রতিদিন একটি মানুষের প্রতিটি সন্ধির জন্যে তার কাছ থেকে প্রাপ্য।” শ্রোতাদের একজন বলল, “এটা আমাদের জন্যে খুবই কঠিন।” রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের ভালো কাজের আদেশ, খারাপ ও অবাঞ্ছিত কাজ থেকে বারণ একটি সালাহ, দরিদ্রের জন্যে সাহায্য একটি সালাহ, রাস্তা থেকে ময়লা সরানোরও একটি সালাহ ও সালাহর পথে তোমার প্রতিটি পদক্ষেপ একটি সালাহ।” (ইবনে খুজায়মা)

বুরায়দা (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “মানুষের ৩৬০ টি অস্থি-সন্ধি আছে। তাকে অবশ্যই প্রতিটির জন্যে সাদাকাহ দিতে হবে।” তারা (সাহাবীরা) বললেন, “হে নবী, এটা কার পক্ষে সম্ভব?” তারা মনে করেছিলেন যে, এটা অর্থনৈতিক সাদাকাহ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেন, “মসজিদে শ্লেষ্মার ওপরে কেউ যদি মাটি চাপা দেয় তাও সাদাকাহ, পথ থেকে বাধা সরানোও সাদাকাহ।” (আহমদ, আবু দাউদ, ইবনে খুজায়মা, ইবনে হাব্বান)

এ রকম তথ্য আরো বহু হাদীসে আছে। অন্ধ, বোবা, দুর্বলের ও দুস্থের প্রতি দয়া প্রদর্শনের উপদেশ রয়েছে এবং এসব কাজকে সাদাকাহ ও ইবদাহ বলে গণ্য করা হয়েছে। তাহলে দেখা যাচ্ছে মুসলমান সর্বদা পুণ্য কাজের উৎস হিসেবে বিরাজমান। এভাবে অন্যেরও উপকার করছে, নিচের মধ্যেও সদগুণের বিকাশ ঘটাচ্ছে, সেই সাথে অসৎবৃত্তি অনুপ্রবেশের আশঙ্কা থেকে নিরাপদ থাকছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “সেই ব্যক্তি রহমতপ্রাপ্ত যাকে আল্লাহ্ সৎকর্মের চাবি এবং অসৎকর্মের তালা বানিয়েছেন।” (ইবনে মাজা)”

—– শাইখ ইউসুফ আল-কারাদাওয়ি

[ইসলামী পুনর্জাগরণ সমস্যা ও সম্ভাবনা : ড. ইউসুফ আল কারাদাওয়ি, পৃষ্ঠা ১৩২, আহসান পাবলিকেশন্স]

Advertisements

আশাবাদ: আল্লাহর শক্তির উপরে বিশ্বাস রাখা – মোখতার মাগরুবি

আশাহত, কষ্টে জর্জরিত মানুষদের জন্য সূরা ইউসুফের আলোকে এক অসাধারণ আলোচনা করেছেন শাইখ মোখতার মাগরুবি..

কৃতজ্ঞতা-শুকরিয়া : নুমান আলী খান

সূরা ইবরাহিমের ৭ নাম্বার আয়াতটির উপরে এক অসাধারণ শিক্ষনীয় উপভোগ্য দরকারি আলোচনা করেছেন নুমান আলী খান। সুবহানাল্লাহ!

শাইখ মোখতার মাগরুবি

mokhtar

ডক্টর মোখতার মাগরুবি আলজেরিয়াতে জন্মগ্রহণকারী একজন মানুষ। নিউইয়র্কের সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটিতে পদার্থবিদ্যা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং-এর যৌথ ক্ষেত্রে পি,এইচ,ডি করেছেন। মাঋন যুক্তরাস্ট্র এবং কানাডার কনফারেন্স এবং সেমিনার সমূহের সবচাইতে জনপ্রিয় এবং পরিচিত বক্তাদের মধ্যে মোখতার মাগরুবি একজন।

বিজ্ঞানমনষ্ক এই মানুষটি গবেষণার পাশাপাশি ইসলামিক সাইন্সের বিভিন্ন বিষয়ে গভীর পড়াশোনা করেন। তার দক্ষতার অংশ হলো তাজকিয়া (আত্মার পরিশুদ্ধি) এবং ফিকহ। ধীরে ধীরে, পরিষ্কার করে, অত্যন্ত সুন্দর করে কথা বলেন বলে তার কথা শুনতেই মন ভরে যায়। তার আলোচনার বিষয় অনেক গভীর, সৌন্দর্যময়, আত্মাকে জাগায়। মোহমুগ্ধ হয়ে যান শ্রোতারা।

মোখতার মাগরুবি এখন অবদান রাখছেন মূলত তরূনদেরকে তাদের আধ্যাত্মিক বিষয়ের উপরে বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে। মাগরুবি এখন স্থানীয় একজন স্কলার যিনি IZET এবং নিউইয়র্কের ট্রয়ের মুসলিম কমিউনিটির ইমাম।

শাইখ মোখতার মাগরুবির কয়েকটা বক্তব্য –
১) Going Back To Jannah :: http://www.youtube.com/watch?v=O7FCigqZv28
২) Does God Exist? :: http://www.youtube.com/watch?v=TFxsB3x7fdw

হালাল টিউবে তার অনেকগুলো আলোচনার সংগ্রহঃ http://www.halaltube.com/speaker/mokhtar-maghraoui

সূত্রঃ MAS-ICNA convention website

ইসলামকে নিয়ে এবং রাসূল (স) কে নিয়ে ইহুদি খ্রিষ্টানদের বিদ্রুপে কী করা উচিত

“অবশ্য ধন-সম্পদে এবং জনসম্পদে তোমাদের পরীক্ষা হবে এবং অবশ্য তোমরা শুনবে পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের কাছে এবং মুশরেকদের কাছে বহু অশোভন উক্তি। আর যদি তোমরা ধৈর্য্য ধারণ কর এবং পরহেযগারী অবলম্বন কর, তবে তা হবে একান্ত সৎসাহসের ব্যাপার। “ [সূরা আল ইমরান : ১৮৬]

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কুরআনুল কারীমে আমাদেরকে কী জানিয়েই রেখেছেন আগে। ইহুদী এবং খৃষ্টানরা আক্রমণাত্মক, বিদ্রুপাত্মক কথা বলবেই। কিন্তু মু’মিনদেরকে আল্লাহ ধৈর্য্য ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। ইহুদি-নাসারাদের ষড়যন্ত্র চলতেই থাকবে, কিন্তু মু’মিনদের তাদের সেইসব চক্রান্তের দাস হলে চলবে না। ওরা খুব ভালো করেই একেকটা ফাঁদ পেতে রাখবে, আর গাড়ি পোড়ানো হত্যাকান্ডের এই প্রতিবাদের সুযোগে তারাও তাদের পরবর্তী চাল চালবে।

শয়তান ক্রমাগত ওয়াসওয়াসা দিতে থাকে আমাদেরকে। আমাদের নিজেদেরকে হতে হবে বুদ্ধিসম্পন্ন, সূক্ষ্মদর্শী। মুসলিম উম্মাহকে বুঝতে হবে, কখন কী পদক্ষেপ নিলে তা সর্বোৎকৃষ্ট ফল আনবে। আবেগী পুতুল হবার মাঝে কোন উপকার নেই। বরং তা অপূরণীয় ক্ষতি বয়ে আনবে। বিস্তারিত পড়ুন

আখিরাতের পথে যাত্রা : তৌফিক চৌধুরী [বাংলা]

মার্সি মিশন ওয়ার্ল্ডের স্বপ্নদ্রষ্টা তৌফিক চৌধুরী সারা দুনিয়ার অজস্র দেশে ছড়িয়েছেন ইসলামের আলো। তিনি একজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত, বাংলায় কথা বলতে পারেন। তাদের আদি নিবাস চট্টগ্রামে। কিছুদিন আগে তিনি চট্টগ্রামে একটা সেমিনারে কিছু আলাপ করে যান, বাংলাতে। চমৎকার এই আলাপ থেকে শেখার আছে অনেককিছু

রামাদানের পরেও আল্লাহ সচেতনতা : হামজা ইউসুফ

ইমাম গাজ্জালী বলেছেন, “আত্মার পরিশুদ্ধিকরণ হলো ঈমানের হক”

সুবহানাল্লাহ! ঈদের পরদিন বেশ সুন্দর কয়েকটা জিনিস শিখলাম। এই আলোচনাটা শাইখ হামজা ইউসুফ করেছিলেন গতবছর রামদানের পরে। রামাদানের পর আল্লাহর ব্যাপারে সচেতনতা বিষয়ে বলেছেন তিনি।

যারা নাটক-সিনেমা-গান শোনাকেই একমাত্র এন্টারটেইনমেন্ট মনে করেন, তারা কল্পনাও করতে পারবেন না যে যেসব আলোচনা আমাদের এই আত্মাকে কেন্দ্র করে, আমাদের অনন্তকালের বাসস্থানকে কেন্দ্র করে — সেগুলো কতটা প্রশান্তি আনে বুকে, মনে, সেগুলো কতটা উপভোগ্য হতে পারে। এই ইসলামিক লেকচারগুলোর একটা অন্যরকম মাত্রা আছে। আলহামদুলিল্লাহ!